ক) আবিষ্কার ও খনি উন্নয়ন পটভূমি
০১. আবিষ্কারঃ ১৯৭৩-৭৪, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ
০২. সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষাঃ ১৯৭৬-৭৭, এসএনসি, কানাডা
০৩. হাইড্রোজিওলজিক্যাল সমীক্ষাঃ ১৯৮৪-৮৫, অস্ট্রেলিয়ান গ্রাউন্ড ওয়াটার কোম্পানি লিমিটেড
০৪. ক) শিলার প্রকার : গ্রানোডায়োরাইট, গ্রানাইট, নীস (Gneiss) ইত্যাদি
খ) রাসায়নিক উপাদান : SiO2 - ৫৬.৬৪%, R2O3 - ৩০.৭৯%, অন্যান্য- ১২.৫৭%
গ) কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ : ২৪,০০০ পিএসআই
ঘ) স্পেসিফিক গ্রাভিটি : ২.৫৬ - ২.৮১ (গড়- ২.৭০)
ঙ) হার্ডনেসঃ ৬.৫ মোহ’স হার্ডনেস স্কেল
০৫. খনি নির্মাণ করার জন্য পেট্রোবাংলা ও নামনাম এর মধ্যে চুক্তি সাক্ষরের তারিখ :
ক) প্রধান চুক্তিঃ ২৭.০৩.১৯৯৪
খ) সম্পুরক চুক্তিঃ ০৬.০৩.২০০৩
গ) ১ম সাইড লেটার এগ্রিমেন্টঃ ৩০.১২.২০০৪
ঘ) ২য় সাইড লেটার এগ্রিমেন্টঃ ৩০.০৪.২০০৭
ঙ) ৩য় সাইড লেটার এগ্রিমেন্টঃ ০৪.১০.২০০৯
৬. ফিজিক্যাল কার্যক্রম শুরুঃ ২০.১০.১৯৯৪
৭. শর্তযুক্ত খনি হ্যান্ড ওভার/টেক ওভার এবং বানিজ্যিক উৎপাদন শুরুঃ ২৫.০৫.২০০৭ তারিখে খনি শর্তযুক্ত হ্যান্ড ওভার/টেক ওভার নেওয়া হয় এবং একই দিনে বানিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
৮. প্রকল্পের সমপ্তি এবং খনি হ্যান্ডওভার ও টেকওভার এর তারিখঃ ০৪.১১.২০১০
৯. প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানঃ মেসার্স কোপেক্স এস.এ, পোল্যান্ড
১০. চুক্তির প্রকার এবং চুক্তি মূল্যঃ টার্ণ কি, ১৫৮.৮৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
১১. প্রকল্প ব্যয় (লক্ষ টাকায়) (৩য় সংশোধিত পিপি অনুসারে):
| স্থানীয় মুদ্রা |
বৈদেশিক মুদ্রা |
মোট |
| ৩৩১১০.০৬ টাকা. |
৬৯৩৮৮.২৫ টাকা. |
১০২৪৯৮.৩১, |
| ৫৭.০৮৬ মা. ড. |
১৪০.৮০৩ মা. ড. |
১৯৭.৮৮৯ |
১২. অর্থায়নের উৎস : বৈদেশিক উৎস(সাপ্লাইয়ারস ক্রেডিট) ১০৩.৭৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, স্থানীয় উৎস এডিপির অধীনে জিওবি- ৯৪.১৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (ডাউন পেমেন্ট ও অগ্রিম পেমেন্ট অন্তর্ভুক্ত)
১৩. খনি হতে পাথর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাঃ তিন শিফটে ৫,৫০০ মে. টন প্রতি দিন
১৪ প্রবেশ পদ্ধতিঃ দুইটি ভারটিক্যাল শ্যাফট দ্বারা
১৫. শ্যাফট : স্কিপ শ্যাফটঃ ৩৭৯.৯ মি. ; কেইজ শ্যাফটঃ ৩৩০.৫ মি. ; উভয়েই ৫ মি. চওড়া
১৬ পাথর আহরণ পদ্ধতিঃ সাব লেভেল ওপেন স্টোপিং মেথড
১৭. প্রত্যেক স্টোপের আকারঃ ২৩০ মি. x ২০ মি. x ৬০ মি.
খ) খনি ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন চুক্তিঃ
কন্ট্রাকটরঃ জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)
চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখঃ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ (কার্যকর ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১)
চুক্তি মূল্যঃ ১৫০.০৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বৈদেশিক- ১১৮.৫৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, স্থানীয়- ৩১.৪৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
চুক্তির সময়কালঃ ৬ বছর
উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাঃ ৮.৮৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন
স্টোপ ডেভেলপমেন্ট (উৎপাদন ইউনিট): ১৪ টি
গ) নতুন খনির সম্ভাবনা
মধ্যপাড়া খনি এলাকা সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাথর উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে “Feasibility Study for Granite Slab Preparation and Enhancement of Stone Production by Expansion of Maddhapara Mine” শীর্ষক একটি সমীক্ষা প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়। চূড়ান্ত সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী সমীক্ষাকৃত ২.২৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় দৈনিক ১১,০০০ মেট্রিক টন অর্থাৎ বার্ষিক ৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন পাথর উৎপাদন ক্ষমতার একটি ভূ-গর্ভস্থ নতুন খনি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। উন্নয়নকাল ৬ বছর সহ খনির আয়ুষ্কাল হবে ৪০বছর। নতুন খনি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান খনির উৎপাদনসহ বার্ষিক মোট প্রায় (৩৩+১৫)=৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন পাথর উৎপাদিত হবে। এতে দেশে পাথরের মোট চাহিদার অনেকাংশ দেশীয় পাথর দ্বারা পূরণ করা সম্ভব হবে।
মধ্যপাড়া নতুন খনি বাস্তবায়িত হলে খনির আয়ুষ্কালে মোট ১১৩.৬৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন পাথর উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এতে পাথর আমদানী হ্রাসের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি উক্ত খনি হতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হবে। দেশে উৎপাদিত উচ্চমানের পাথর ব্যবহারে উন্নততর, দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই অবকাঠামো নির্মিত হবে। প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ১,০০০ জন ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪,০০০ জন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে ইটের বদলে পাথরের ব্যবহার পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।